কয়েক দিনের তীব্র গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার পর অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি পেয়েছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম।
স্বস্তির বৃষ্টি
চৈত্রের প্রথম রাতে স্বস্তির বৃষ্টি হয়েছে রাজশাহীতে। শীতের দীর্ঘ শুষ্কতার পর হালকা বৃষ্টিতে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন নগরবাসী। ফলে দিনের গরম কিছুটা হলোও কমলো।
চৈত্রের আর বাকি মাত্র দুই দিন। এর মধ্যেই রাজধানী ঢাকায় গরম বাড়তে শুরু করেছে। তবে শুক্রবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় হঠাৎ শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন নগরবাসী।
কয়েক দিনের তীব্র গরমে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। হাঁসফাঁস অবস্থা। চাতক পাখির মতো বৃষ্টির অপেক্ষায়। অবশেষে এল সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। রাজধানীতে বৃষ্টি নেমেছে। স্বস্তি এসেছে জনমনে।
রাজধানীতে গরম যেন কাটছিল না। অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টিতে ভিজল ঢাকা। এদিকে পবিত্র ঈদুল আজহার আগে আজ ছিল শেষ কর্মদিবস। তাই ভোগান্তিতে পড়েছেন ঈদুল আজহা ঘিরে ঘরে ফেরা মানুষ।
রাজধানীতে গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা কম থাকলেও আদ্রতা বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরমে অস্বস্তি জনজীবনে। এ অবস্থায় তিনদিন পর আবারও স্বস্তির বৃষ্টির দেখা মিললো। এতে গত কয়েকদিনের ভ্যাপসা গরম কমে আসায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে রাজধানীবাসীর।
দাবদাহে অতিষ্ট জনজীবনে কিছুটা হলেও স্বস্তি এনেছে বৃষ্টি। বুধবার (২২ মে) সকালে কয়েক মিনিটের বৃষ্টি স্বস্তি এনে দিয়েছে রাজধানীবাসীকে।
এক মাসের বেশি সময় ধরে তাপপ্রবাহে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল জনজীবন। এমন অবস্থায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দেখা মিলল মুষলধারে বৃষ্টির।
তাপপ্রবাহের মধ্যে চট্টগ্রামে বৃষ্টি নিয়ে এসেছে স্বস্তির পরশ। বুধবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে নগরীর বিভিন্ন জায়গায়।
টানা বেশ কিছুদিনের তাপদাহের পর গভীর রাতে চুয়াডাঙ্গায় স্বস্তির বৃষ্টি নেমেছে।মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) রাত ১টা ১০ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জেলায় ১ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আবহাওয়া অফিসের চুয়াডাঙ্গার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান।